নারায়ণগঞ্জ জেলার ৫টি আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ৪০ জন প্রার্থীকে বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে । শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা রায়হান কবির এ ঘোষণা দেন।
এর আগে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত মনোনয়ন যাচাই বাছাই শেষে ৩৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ, ৪ জনের স্থগিত ও ১৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। পরে অধিকতর বাছাই শেষে বিকেল ৪ টায় স্থগিত করা ৪ প্রার্থীর মনোনয়নও বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়। এই নিয়ে মোট ৪০ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ও ১৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল বলে ঘোষণা করা হলো। নিয়ম অনুযায়ী আগামী ৯ জানুয়ারী পর্যন্ত মনোনয়ন বাতিল বলে ঘোষিত প্রার্থীরা নিজেদের প্রার্থীতা ফিরে পেতে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয়ে আপিল করতে পারবেন।
পাচঁটি আসনে বৈধ প্রার্থী যারা:
রূপগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে ৬জন প্রার্থীকে। তারা হলেন- বিএনপির প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু, গণঅধিকার পরিষদের ওয়াসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আ. কাইয়ুম শিকদার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ইমদাদুল্লাহ, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের প্রার্থী মো. রেহান আফজাল ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আনোয়ার হোসেন মোল্লার মনোনয়নপত্র।
আড়াইহাজার উপজেলা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে বৈধ প্রার্থী ৬ জন। তারা হলেন- বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা-বিভাগীয়) নজরুল ইসলাম আজাদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর, বাংলাদেশের কউিনিস্ট পার্টির মো. হাফিজুল ইসলাম, বাংলাদেশের জামায়াতে ইসলামীর মো. ইলিয়াস মোল্লা, গণঅধিকার পরিষদের কামরুল মিয়া ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রাথী মো. আবুল কালাম।
সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে বৈধ প্রার্থী ১০ জন। তারা হলেন- বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বিএনপি মনোনিত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের গোলাম মসীহ্, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া, গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী অঞ্জন দাস, জনতার দলের আবদুল করিম মুন্সী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. শাহজাহান, আমার বাংলাদেশ পার্টির আরিফুল ইসলাম, ও গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. ওয়াহিদুর রহমান মিল্কী।
ফতুল্লা- ও সদর থানার একাংশ নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বৈধ প্রার্থী ৯ জন। তারা হলেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মনির হোসাইন কাসেমী, বাংলাাদেশ রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ও বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলী, স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির নির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম, স্বতন্ত্র প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল আমিন, বাসদের সেলিম মাহমুদ, ইসলামী আন্দোলনের মুফতি ইসমাইল কাউসার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আনোয়ার হোসেন, খেলাফত মজলিশের ইলিয়াস আহম্মেদ ও বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের মো. সুলাইমান দেওয়ান।
সদর-বন্দর নিয়ে গঠিত নারাণয়গঞ্জ-৫ আসনে ৯ জন প্রার্থীকে বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। তারা হলেন, বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী সৈয়দ বাহাদুর শাহ্ মুজাদ্দেদী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি মাছুম বিল্লাহ, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এবিএম সিরাজুল মামুন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) আবু নাঈম খান বিপ্লব, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের এইচএম আমজাদ হোসেন মোল্লা ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মন্টু চন্দ্র ঘোষ।

